চৈত্র-বৈশাখের খাঁ খাঁ রোদ। তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। কিন্তু সেই গরমকে উপেক্ষা করেই মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছেন পান্ডুয়া বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সমীর চক্রবর্তী। মাথায় রোদ থাকলেও মুখে সর্বদা লেগে আছে এক চিলতে হাসি। লক্ষ্য একটাই—পান্ডুয়ার প্রতিটি মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হওয়া এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের বার্তাকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া।
নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই বিরামহীন প্রচার চালাচ্ছেন সমীরবাবু। কখনও টোটোয় চেপে, কখনও আবার পায়ে হেঁটে অলিতে-গলিতে ঘুরছেন তিনি। প্রার্থীর এই জনসংযোগ কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের সাড়াও মিলছে চোখে পড়ার মতো। প্রবীণদের আশীর্বাদ নেওয়া থেকে শুরু করে যুব প্রজন্মের সঙ্গে খোশগল্প—সবক্ষেত্রেই সাবলীল তিনি।
এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, “প্রার্থীকে ঘরের মানুষের মতোই পাশে পাচ্ছি। রোদে কষ্ট হলেও উনি যেভাবে হাসিমুখে কথা বলছেন, তাতে আমরা অভিভূত।” প্রচারে বেরিয়ে সমীর চক্রবর্তী জানান, “পান্ডুয়া আমার নিজের জায়গা, এখানকার মানুষ আমার পরিবার। রোদ-ঝড়-জল কিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না। মানুষের আশীর্বাদ সঙ্গে থাকলে জয় নিশ্চিত। আমি শুধু ভোট চাইতে আসিনি, আমি এসেছি তাঁদের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে।”
এদিন প্রচার চলাকালীন তৃণমূল কর্মীরাও ছিলেন বেশ উজ্জীবিত। পান্ডুয়ার বিভিন্ন মোড়ে পথসভাও করেন প্রার্থী। রাজ্যের জনমুখী প্রকল্পগুলি কীভাবে মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে, তা সহজ ভাষায় তুলে ধরেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, সমীর চক্রবর্তীর এই ক্লান্তিহীন প্রচার এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজভাবে মিশে যাওয়ার ভঙ্গি নির্বাচনী লড়াইয়ে তাঁকে অনেকটা এগিয়ে রাখছে

