মুখ্যমন্ত্রী বাজেটেই ঘোষণা করেছিলেন বাংলার ২১ থেকে ৪০ বছরের যুবক যুবতীদের জন্য বাংলার যুব সাথী প্রকল্প চালু করবেন যাতে তারা পাঁচ বছরের জন্য প্রতিমাসে ১৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। মুখ্যমন্ত্রী যে কথা বলেন সেই কথা রাখেন। আজ শিবরাত্রির পূণ্য দিনে সারা রাজ্য যুব সাথী সহ ভূমিহীন ক্ষেত মজুর, লক্ষীর ভান্ডারের ফর্ম দেওয়া শুরু হলো। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লকেও ব্লক অফিস থেকে ফর্ম দেওয়া শুরু হলো আজ। এই উপলক্ষ্যে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক,বিডিও পার্থ সারথী দে, পূর্ত কর্মাধক্ষ মেহেমুদ খাঁন,ব্লক কৃষি আধিকারিক বিপাশা দাস,জয়েন্ট বিডিও রুদ্রেন্দু নন্দী সহ অন্যান্যরা। প্রতীকীভাবে কয়েকজনের হাতে তাঁরা ফর্ম তুলে দেন। মেহেমুদ খাঁন বলেন মুখ্যমন্ত্রী যা বলেন তা করে দেখান। বাজেটে ঘোষণার পরই আজ থেকে ফর্ম দেওয়া শুরু হলো। যতদিন না পর্যন্ত কোনো কাজ পাওয়া যাচ্ছে এই অনুদান তাঁদের যথেষ্ট কাজে লাগবে। মুখ্যমন্ত্রী সব সময়ই সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ান। বিডিও পার্থ সারথী দে বলেন আজ থেকে স্বনির্ভর বাংলা প্রকল্পে ফর্ম দেওয়া শুরু হলো। আজ জামালপুর ১ ও ২ অঞ্চলে আজ ফর্ম দেওয়া হচ্ছে। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত চলবে এই ফরম দেওয়া এবং জমা নেওয়ার কাজ। সরকারী পরিষেবা সাধারণ মানুষকে পৌঁছে দিতে তাঁরা সব রকমের সাহায্য করবেন। সকাল থেকেই সাধারণ মানুষের ভীড় চোখে পড়ার মতো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। বিধানসভা ভোটের আগে এই অনুদান তৃণমূল কংগ্রেসকে যথেষ্ট ভালো জায়গায় রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

