ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর বিধানসভার ৩২ বিঘা গ্রামের ঘটনা। আবেদন করে মেলেনি কোন বার্ধক্য ভাতা। বিডিও দারস্থ হয়েছেন তিনি। মেলেনি তার আঙ্গুলের ছাপ এমনটাই তাকে জানানো হয়েছে। এটা কি অজুহাত রাজ্য সরকারের ভাতা পেতে। প্রয়োজনে রয়েছে আঁধার এবং ভোটার কার্ড ও নির্ভুল আবেদন পত্র। তাহলেও শেখ ইব্রাহিম কে কেন বঞ্চিত করা হচ্ছে বার্ধক্য ভাতা থেকে।

