বাঁকুড়ার কড়িসুন্ডা গ্রামে শেখ মোহাম্মদ মফিকের মৃত্যুকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত। পরিবারের অভিযোগ, গত ১৩ আগস্ট কয়েকজন দুষ্কৃতীর হামলায় গুরুতর আহত হন মফিক। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ আগস্ট তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব বিভিন্ন মহল।
শনিবার, ২২ আগস্ট, নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে কড়িসুন্ডা গ্রামে পৌঁছান ‘আক্রান্ত আমরা’ সংগঠনের ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল। তাঁদের মধ্যে ছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্র। তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষাব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে আন্দোলন করলেই যদি হামলার মুখে পড়তে হয়, তা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তাঁর বক্তব্যে স্কুল বন্ধ, শিক্ষার মান এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন আন্দোলনের প্রসঙ্গও উঠে আসে। সোশ্যাল মিডিয়ার সাংবাদিকদের সংবিধান, বিচারব্যবস্থা ও দেশের স্বার্থে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মহাপাত্র। পাশাপাশি নিহতের পরিবারের পাশে এবং সংগঠনের কর্মসূচিতে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।
সংগঠনের প্রতিনিধিদের পাশে দাঁড়ানোয় কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আব্দুল হাফিজ বলেন, “উনারা আমাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এসেছেন, এর থেকেই বোঝা যায় তাঁদের মন কতটা পরিষ্কার।” নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিই এখন পরিবারের প্রধান প্রত্যাশা।

