• Wed. Aug 26th, 2026

হারিয়ে যাওয়া কিংবা চুরি হয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিয়ে মানবিকতার নজির গড়ল শামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ। প্রযুক্তির সাহায্যে প্রায় ৩০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে সেগুলি মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ফোন ফিরে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই খুশি ও স্বস্তির ছাপ দেখা যায় মালিকদের মুখে।

বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পড়াশোনা থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য, অফিসের কাজ, অনলাইন ব্যাঙ্কিং, গুরুত্বপূর্ণ নথি থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও—অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখন মোবাইলেই সংরক্ষিত থাকে। ফলে একটি ফোন হারিয়ে গেলে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি তৈরি হয় চরম মানসিক উদ্বেগও।

এই পরিস্থিতিতে শামসেরগঞ্জ থানার পুলিশের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত প্রশংসনীয়। ফারাক্কার এসডিপিও শেখ সামসুদ্দিনের তত্ত্বাবধানে এবং শামসেরগঞ্জ থানার আইসি সুব্রত ঘোষের নেতৃত্বে পুলিশ প্রযুক্তিগত পদ্ধতিতে হারিয়ে যাওয়া ও চুরি হওয়া মোবাইলগুলির সন্ধান শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই প্রায় ৩০টি মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

সোমবার থানায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফারাক্কার এসডিপিও শেখ সামসুদ্দিন এবং শামসেরগঞ্জ থানার আইসি সুব্রত ঘোষ। পুলিশের এই সাফল্যের পিছনে আইসি সুব্রত ঘোষের সক্রিয় উদ্যোগ, দক্ষ নেতৃত্ব এবং থানার পুলিশকর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টার বিশেষ ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

মোবাইল ফিরে পেয়ে মালিকদের অনেকেই জানান, ফোনে থাকা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং ব্যক্তিগত নথির কারণে তাঁরা অত্যন্ত চিন্তায় ছিলেন। পুলিশের তৎপরতায় সেই হারানো ফোন ফিরে পাওয়ায় তাঁরা অত্যন্ত খুশি। পুলিশের এই দ্রুত পদক্ষেপের জন্য শামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ এবং বিশেষ করে আইসি সুব্রত ঘোষকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তাঁরা।

শুধু একটি দিনের অভিযান নয়, শামসেরগঞ্জ থানার পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবেই হারিয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। প্রতি মাসে প্রযুক্তির সাহায্যে বিভিন্ন হারিয়ে যাওয়া মোবাইলের সন্ধান চালিয়ে সেগুলি প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও স্বার্থরক্ষায় পুলিশের এমন ধারাবাহিক উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। এসডিপিও শেখ সামসুদ্দিনের দিকনির্দেশনা এবং আইসি সুব্রত ঘোষের দক্ষ নেতৃত্বে শামসেরগঞ্জ থানার এই তৎপরতা পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়িয়ে তুলছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি মানুষের হারানো সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে শামসেরগঞ্জ থানার এই উদ্যোগ মানবিক পুলিশিংয়ের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

হোম পেজ
এক নজরে
দেশ
খেলা
বিনোদন