• Mon. Aug 31st, 2026

ইন্দাসের চাঁদগ্রামে সারের গোডাউনে কৃষি দফতরের হানা, মজুত নেই এক বস্তাও

ইন্দাসের চাঁদগ্রাম এলাকায় একটি সারের গোডাউনে হঠাৎ অভিযান চালাল এগ্রিকালচার ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকেরা। অভিযানে গিয়ে কার্যত চক্ষু চড়কগাছ আধিকারিকদের। সরকারি নথি অনুযায়ী যেখানে বিপুল পরিমাণ সার মজুত থাকার কথা, সেই গোডাউনে মেলেনি এক বস্তাও সার। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এদিন DSP DIB, এগ্রিকালচার অফিসার-সহ ইন্দাস থানার পুলিশের সহযোগিতায় চাঁদগ্রামের ওই গোডাউনে অভিযান চালান। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, গোডাউনে কোনও সারই মজুত নেই।

জানা যায়, গোডাউনটি চাঁদগ্রামের বাসিন্দা সন্দীপ রুদ্র নামে এক ব্যক্তির। বর্তমানে সেখানে প্যান্ডেলের সামগ্রীর দোকান চলছে। মাসিক ২,০০০ টাকা ভাড়ার বিনিময়ে তিনি গোডাউনটি হুগলি জেলার বাসিন্দা পীযূষ ঘোষকে দিয়েছিলেন। পীযূষ ঘোষ প্রায় ৮-১০ বছর আগে ওই দোকানের কাগজপত্র দেখিয়ে সার বিক্রির লাইসেন্স নেন বলে জানা গিয়েছে।

অভিযানের পর দোকানের মালিক পীযূষ ঘোষকে ডেকে পাঠানো হয়। তিনি আধিকারিকদের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখালেও সরকারি হিসাব অনুযায়ী তাঁর দোকানে প্রায় ১৩১ মেট্রিক টন সার মজুত থাকার কথা। কিন্তু সেই পরিমাণ সার চাঁদগ্রামের গোডাউনে দেখাতে পারেননি তিনি।

পীযূষ ঘোষের দাবি, ১৩১ মেট্রিক টন সার তাঁর চাঁদগ্রামের দোকানে মজুত নেই। ওই পরিমাণ সার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একটি কোম্পানির গোডাউনে রয়েছে। মোটা দানা ইউরিয়া বিক্রি না হওয়ায় তিনি চাঁদগ্রামের গোডাউনে সেই সার নিয়ে আসেননি।

এরপর কৃষি দফতরের পক্ষ থেকে পীযূষ ঘোষকে চিঠির মাধ্যমে শোকজ করা হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাঁকে বিষয়টি নিয়ে জবাবদিহি করতে বলা হয়েছে।

সরকারি নথিতে মজুত থাকা সারের সঙ্গে বাস্তবে গোডাউনে কোনও সার না মেলায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে। সরকারি হিসাবে যে পরিমাণ সার মজুত থাকার কথা, সেই সার এলাকার কৃষকরা পাচ্ছেন না—এই বিষয়টি সামনে আসতেই চাঁদগ্রাম এলাকায় তৈরি হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You missed

হোম পেজ
এক নজরে
দেশ
খেলা
বিনোদন