রাজ আমলের শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য আর লোকরীতি বজায় রেখে সম্পন্ন হলো কোচবিহারের ঐতিহাসিক বড় দেবীর বিসর্জন। দশমী তিথির বিশেষ পুজো ও আনন্দঘন সিঁদুর খেলার পর দেবী বাড়ির প্রতিমা ট্রলিতে করে নিয়ে যাওয়া হয় শহরের যমুনা দিঘিতে। মা-কে বিদায় জানাতে সকাল থেকেই মন্দির চত্বরে উপচে পড়েছিল ভক্তদের ভিড়।
দশমীর সকালে পুজো শেষের পর দেবী বাড়ির মন্দিরে উপস্থিত মহিলারা মাকে সিঁদুর পরিয়ে বিদায় জানান। নিজেরা মেতে ওঠেন সিঁদুর খেলায়। প্রতি বছরের মতো এ বারও বিজয়ার আনন্দের পাশাপাশি ভক্তদের চোখে ছিল মায়ের বিদায়ের জল।
বিসর্জনের জন্য প্রতিমাটি একটি বিশেষ ট্রলিতে তোলা হলে স্থানীয় যুবকেরা এবং সাধারণ মানুষ দড়ি দিয়ে টেনে সেটি যমুনা দিঘির ঘাটে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ম মেনে বিসর্জন সম্পন্ন হয়।রাজ পুরোহিত হীরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য জানান, দশমীর দিন মন্দিরে বিশেষ অপরাজিতা পুজো অনুষ্ঠিত হয়। এই পুজোয় প্রাচীন প্রথা অনুযায়ী পাঁঠা, পায়রা, মাগুর মাছ, চালকুমড়ো আর আখ বলিদানের আচার পালন করা হয়।

