শাসকের হামলা, চোখ রাঙানি তোয়াক্কা না করে বর্ধমানের রেলস্টেশন থেকে কার্জন গেট পর্যন্ত সিপিএমের ১৫ দফা দাবি নিয়ে জেল ভরো আন্দোলনে জনসমুদ্রে ভাসলো বর্ধমান রাস্তার দুই পাস। রাস্তা দুই পাশে সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল চোখে দেখার মতো। এছাড়াও মিছিলে দরদী সমর্থক বন্ধু এবং সাধারণ মানুষের ভিড় উপচে পড়েছিল । হাজার হাজার মানুষ তাদের একটাই দাবি এক নায়ক তন্ত্ররাজ খতম করতে হবে। হাজার হাজার পুলিশ দিয়ে আটকাতে পারেনি এই মিছিল কে। চেষ্টা করেছিল ব্যারিকেড দিয়ে রোখার কিন্তু রুখতে পারেনি বর্ধমানের পুলিশ প্রশাসন। ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে চলেছিল কমরেডরা । কিন্তু তৃতীয় ব্যারিকেডের পর ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলার কারণে পার্টির নেতৃত্বরা সিদ্ধান্ত নেয় এই ধর্মীয় অনুষ্ঠান কোন ব্যাঘাত না ঘটানো। যে সমস্ত কৃষক বিরোধী, শ্রমিক বিরোধী, হকার বিরোধী ,টোটো চালক বিরোধী, পদক্ষেপ নিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের সরকার তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে
না হলে এরপর আরো বৃহত্তর আন্দোলনে আন্দোলন করার হুঁশিয়ারি দেন।

