আজ প্রথম পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পঞ্চায়েতীরাজ কর্মসূচির অংশ নিতে গিয়ে পশ্চিম বাংলার উপ মুখ্যমন্ত্রী শ্রী দিলীপ ঘোষ বলেন যে বাংলার উন্নয়নে পঞ্চায়েতের ভূমিকা অপরিসীম। কারণ গ্রাম বাংলার রাস্তা ঘাট ও যানবাহন পরিসেবা মান যদি উন্নতি করা যায়। এবং এই কাজে গ্রাম বাংলার মানুষ যদি এগিয়ে আসে তাহলে গ্রাম বাংলার আমূল পরিবর্তন আসবে। সেই সঙ্গে গ্রাম বাংলার ১২৫, দিনের কাজ থমকে গেছে। সেই কাজ শুরু করার কথা ঘোষণা করেছেন। এবং গ্রাম বাংলার উন্নয়ন এর মধ্যে দিয়ে দেশ ও জাতির সার্বিক উন্নয়ন হতে পারে। কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা ও খুদ্র কুটির শিল্প আজ গ্রাম বাংলায় প্রসারিত হচ্ছে। গ্রামের সাধারণ মানুষ যদি তাদের পরিসেবা ঠিক মতো পায় তাহলে বাংলার উন্নয়ন ঠিক পথে চলবে বলে জানিয়েছেন।এই কাজে জেলার ডি এম থেকে শুরু করে এস ডি ও এবং বিডিও বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। সেই সঙ্গে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপ প্রধান এবং পঞ্চায়েত এর সদস্যদের বড় ভূমিকা পালন করতে হবে বলে জানিয়েছেন। সকলের প্রয়াস ও সহযোগিতার মাধ্যমে গ্রাম বাংলার উন্নয়ন সম্ভব।গ্রামীণ উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করতে এবং পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করে তুলতে সকল স্তরের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের উপর জোর দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে তিনি জানান, শুধুমাত্র প্রশাসনের উদ্যোগ নয়, সাধারণ মানুষের সহযোগিতা ছাড়া প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়।
দিলীপ ঘোষ স্পষ্টভাবে বলেন, পঞ্চায়েত স্তরে বহু গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু রয়েছে—যার মধ্যে রয়েছে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, আবাসন প্রকল্প এবং কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ। এই সমস্ত প্রকল্পের সুফল মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হলে স্থানীয় প্রতিনিধিদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, অতীতে বিভিন্ন কারণে গ্রামীণ উন্নয়নের কাজ অনেক ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। কিছু পঞ্চায়েত প্রধানের নিষ্ক্রিয়তা ও অনুপস্থিতির কারণে বহু প্রকল্পের কাজ আটকে ছিল, যার ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই তিনি সকল জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে বলেন—দায়িত্ব পালন না করলে মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়তে হবে।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ উদ্যোগে একাধিক প্রকল্প পুনরায় চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ চলছে। পাশাপাশি পঞ্চায়েত স্তরে শূন্যপদ পূরণ এবং প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “পঞ্চায়েতই হলো গ্রামের উন্নয়নের মূল ভিত্তি। তাই এই ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হলে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষ—সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।” তাঁর এই আহ্বান গ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রে এক নতুন বার্তা বহন করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

