হর ঘর তিরঙ্গা: দেশপ্রেম ও ঐক্যের এক অনন্য উৎসব স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি তথা অমৃত মহোৎসবের অঙ্গ হিসেবে ভারত সরকারের উদ্যোগে সূচিত ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) কর্মসূচি আজ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সাধারণ মানুষের মন জয় করে নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মাটি থেকে শুরু করে জাতীয় স্তরে এই অভিযান দেশের প্রতিটি নাগরিকের মনে দেশপ্রেমের জোয়ার এনে দিয়েছে। ভারত সরকারের এর কর্মসূচী সফল করতে চারিগ্রাম নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয়ে পালিত হল “হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচী। ছাত্রছাত্রীদের হাতে পতাকা তুলে দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাননীয় স্বপন কুমার ঘোষ এবং শাশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একজিকিউটিভ অ্যাসিটেন্ট মাননীয় দিবেন্দু বোস মহাশয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী-শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবীগণ। মাননীয় দিব্যেন্দু বোস মহাশয় স্বাগত ভাষনে জাতীয় পতাকার গুরুত্ব সম্পর্কে ছাত্রছাত্রীদের বোঝালেন। প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার ঘোষ মহাশয় তাঁর মূল্যবান বক্তব্য রাখেন। সকলে একসঙ্গে গাওয়া হয় ‘বন্দেমাতরম সঙ্গীত এবং জনগন-মন’ সঙ্গীত। কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ও তাৎপর্যদেশপ্রেম জাগরণ। সাধারণ মানুষের মনে জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা বৃদ্ধি করা।জাতীয় ঐক্য: জাত-পাত, ধর্ম বা ভাষার ভেদাভেদ ভুলে তিরঙ্গার পতাকাতলে সমগ্র দেশকে একসূত্রে বেঁধে রাখা। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগ ও অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা। পশ্চিমবঙ্গ সহ সারা দেশে এই কর্মসূচিকে সফল করতে রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ এবং কেন্দ্র সরকারের যৌথ প্রয়াসে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়। চলতি বছর রাজ্যজুড়ে প্রায় ৭০ লক্ষ জাতীয় পতাকা বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, সরকারি ও বেসরকারি কার্যালয় এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পতাকা পৌঁছে দেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে নিয়ে বর্ণাঢ্য পদযাত্রা বা তিরঙ্গা র্যালির আয়োজন করা হয়। এই অভিযানের ফলে লাখ লাখ জাতীয় পতাকা তৈরির কাজ হয়েছে, যা দেশের খাদি শিল্প ও স্থানীয় কারিগরদের অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করেছে। শহর থেকে গ্রামবাংলার প্রতিটি কোণায় তেরঙ্গা উত্তোলনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সরাসরি জাতীয় উদযাপনে অংশীদার হয়েছেন।নিজের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ছবি তুলে নির্দিষ্ট পোর্টাল বা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করার মাধ্যমে ডিজিটাল ভারতও এই দেশপ্রেমে শামিল হয়েছে। ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ শুধু একটি সরকারি কর্মসূচি নয়; এটি প্রতিটি ভারতীয়ের আত্মমর্যাদা ও স্বাধীনতার প্রতীক। জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের এই উদ্যোগ দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও দায়িত্বশীল ও দেশপ্রেমিক করে তুলতে গভীর ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলছে। আমরা চারিগ্রাম নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয় এই কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করে এবং জাতীয় পতাকাকে সম্মান জানাতে পেরে গর্বিত অনুভব করছি।জয় হিন্দ! বন্দেমাতোরম।
২০২৬ ভারত সরকারের “হর ঘর তিরঙ্গা” কর্মসূচী চারিগ্রাম নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয়ে সূচনা করা হলো। সূচনা করলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার ঘোষ এবং শাশপুর পঞ্চায়েতের একজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট দিবেন্দু বোস মহাশয়। উপস্থিত ছিলেন ছাত্রছাত্রী-শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ গ্রামের বিশেষ বিশেষ সমাজসেবীগন।

