• Thu. Aug 20th, 2026

সরকারি আবাস প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পশ্চিমপাড়া অঞ্চলে। অভিযোগ, প্রকৃত উপভোক্তাকে বঞ্চিত করে এক ব্যক্তির নামে বরাদ্দ হওয়া বাড়ি অন্য ব্যক্তিকে পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, জব কার্ড এক ব্যক্তির নামে থাকলেও প্রকল্পের টাকা অন্য ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে ঢোকার অভিযোগও সামনে এসেছে। সার্ভে চলাকালীন একাধিক এমন অসঙ্গতি ধরা পড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রামানন্দপুর এলাকায় ইসত্তর গায়েনের নামে থাকা বাড়ি জব কার্ডের মাধ্যমে মাতুজান বিবি পেয়েছেন। একইভাবে বাদশা মল্লিকের নামে থাকা বাড়িও হাসেনা বিবির হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ফলে সরকারি প্রকল্পের উপভোক্তার নাম, জব কার্ড এবং অর্থপ্রাপ্তির তথ্যের মধ্যে এমন অসঙ্গতি কীভাবে তৈরি হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, কোথাও জব কার্ড একজনের নামে থাকলেও প্রকল্পের টাকা জমা পড়ছে অন্য ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে। এমনকি ‘কার্ড মানি’ নেওয়া এবং সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে আর্থিক লেনদেনের মতো গুরুতর অভিযোগও উঠছে। যদিও এই অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত নয়।

সার্ভে চলাকালীন একের পর এক অভিযোগ সামনে আসায় ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক প্রভাব বা ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে প্রতিটি বাড়ির বরাদ্দের নথি, জব কার্ড, প্রকৃত উপভোক্তার পরিচয় এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমার তথ্য খতিয়ে দেখা হোক।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, যাঁর নামে সরকারি আবাস প্রকল্পের সুবিধা বরাদ্দ, তাঁর পরিবর্তে অন্য কেউ কীভাবে সেই সুবিধা পেলেন? আর জব কার্ড এক ব্যক্তির নামে থাকা সত্ত্বেও যদি অন্যের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে থাকে, তাহলে সেই অর্থ স্থানান্তরের প্রক্রিয়াই বা কী ছিল?

অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ্যে আনার দাবি উঠেছে পশ্চিমপাড়া অঞ্চলে। সরকারি নথি যাচাই এবং প্রশাসনিক তদন্তের ফলেই শেষ পর্যন্ত অভিযোগগুলির সত্যতা স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

হোম পেজ
এক নজরে
দেশ
খেলা
বিনোদন