ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা ‘আধুনিক ভারতের রূপকার’ ভারতরত্ন রাজীব গান্ধীর ৮০ তম জন্মবার্ষিকী (সদ্ভাবনা দিবস) জেলা কংগ্রেস ও বিভিন্ন যুব সংগঠনের উদ্যোগে জলপাইগুড়িতে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হল।
মঙ্গলবার সকালে জলপাইগুড়ি জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সূচনা হয়। এরপর প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কংগ্রেসের জেলা ও স্থানীয় নেতৃত্ব।
স্মরণসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতৃত্ব রাজীব গান্ধীর অবদান স্মরণ করে বলেন, ডিজিটাল ভারত, তথ্যপ্রযুক্তি (IT) বিপ্লব এবং পঞ্চায়েতি রাজ ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের নেপথ্যে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। পাশাপাশি, ১৮ বছর বয়সে ভোটাধিকার প্রদানের যে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছিলেন, তা ভারতের যুবসমাজকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতায়িত করেছে।জলপাইগুড়িতে পালিত রাজীব গান্ধীর জন্মজয়ন্তী!
ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর ৮৩তম জন্মদিন উপলক্ষে জলপাইগুড়ির রাজীব ভবনে ও তাঁর পূর্ণাবয়ব মূর্তিতে মাল্যদান করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এআইসিসির অবজারভার, জেলা কংগ্রেস সভাপতি অমিত ভট্টাচার্য এবং প্রাক্তন সভাপতি পিনাকী সেনগুপ্ত সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। রাজীব গান্ধীর অবদান স্মরণ করার পাশাপাশি পুরসভায় আন্দোলনরত পেনশনভোগীদের প্রতিও সমবেদনা জানানো হয়দিবসটি উপলক্ষে কেবল স্মরণসভাই নয়, জেলাজুড়ে একাধিক সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। পথচলতি মানুষদের মধ্যে মিষ্টি বণ্টন, দুস্থদের বস্ত্র বিতরণ এবং হাসপাতাল প্রাঙ্গণে রোগীদের ফল ও খাদ্যসামগ্রী বিলি করা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়, যেখানে তরুণ কংগ্রেস কর্মীরা উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেন।

