নদী থেকে অবৈধভাবে বালি তোলার অভিযোগ নতুন নয়, কিন্তু এবার সেই বালি চুরির ঘটনাই রূপ নিল বড়সড় দুর্ঘটনায়। দিনের আলোতেই নদীর বুক থেকে বালি তোলার সময় পুলিশের হানা পড়তেই পালানোর চেষ্টা করে ট্র্যাক্টর চালক। আর সেই পালানোর চেষ্টাই শেষ পর্যন্ত বিপদ ডেকে আনে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ বালি তোলার কাজ চলছিল নদীর মাঝামাঝি অংশে। হঠাৎ পুলিশ পৌঁছে গেলে ট্র্যাক্টর নিয়ে দ্রুত সরে যাওয়ার চেষ্টা করে চালক। কিন্তু নদীর জলের প্রবল স্রোতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্র্যাক্টর ট্রলি সহ ভেসে যায়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায় এবং চালক সহ যানটি জলের তোড়ে তলিয়ে যেতে শুরু করে।
ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধার কাজে নেমে পড়েন। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় জে সি বি (JCB) এবং শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। দীর্ঘ চেষ্টার পর ট্র্যাক্টরটিকে জলের ভিতর থেকে তোলার চেষ্টা চালানো হয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের একবার প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে। দিনের আলোতেই যদি এভাবে অবৈধ বালি তোলা হয়, তাহলে প্রশাসনের ভূমিকা কোথায়—তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
বর্তমানে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। চালকের অবস্থা সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি, তবে উদ্ধার কাজ জোরকদমে চলছে।মূখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রথম দিন থেকেই বলে আসছেন নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালি , পাথর, উত্তোলন করা যাবে না, এবং যদি কেউ করে সেই ক্ষেত্রে পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেবে তবে বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি জেলার মাল বাজারে পাহাড়ি ঘিস নদীর বুকে ঘটে যায় এক অদ্ভুত ঘটনা ।প্রশাসনের কড়া বার্তার পরেও এক শ্রেনীর বালি পাথর মাফিয়ারা নিজেদের কালো করবার যে চালিয়ে যাচ্ছে আজকের দৃশ্য তারই জ্বলন্ত প্রমাণ।
ঘিশ নদীতে ট্রাক্টর নামিয়ে বালি উত্তোলনের কাজ চলছিল দিনের আলোতে ,খবর পেয়ে হানা দেয় পুলিশ, অবস্থা বেগতিক বুঝে চালক ট্রাক্টর ট্রলি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে,আর এতেই ঘটে বিপত্তি।খরস্রোতা নদীতে ভেসে যায় চালক সহ ট্রাক্টরটি।অবশেষে জে সি বি দিয়ে উদ্ধার করা হয় চালক সহ ডুবে যাওয়া ট্রাক্টরটি।
চালক কে আটক করেছে পুলিশ।
