আরামবাগের পারুল এলাকায় চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে দুষ্কৃতীরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে একটি ফ্লিপকার্ট অফিসে হানা দেয়। অফিসের পেছনের দেওয়াল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে তারা। এই ঘটনাটি যে পূর্বপরিকল্পিত, তা স্পষ্ট হয়েছে তাদের কাজের ধরণ থেকেই।
দুষ্কৃতীরা অফিসে ঢুকে নগদ লক্ষাধিক টাকা লুট করে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, ঘটনার প্রমাণ লোপাট করতে সিসিটিভি ক্যামেরার হার্ডডিস্কও খুলে নিয়ে যায় তারা। ফলে পুলিশের তদন্তে প্রাথমিকভাবে কিছুটা বাধার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, রাতের অন্ধকারে কোনও শব্দ টের পাননি তারা। সকালে অফিস খুলতে এসে কর্মীরা বিষয়টি প্রথম লক্ষ্য করেন। সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশে খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনায় পেশাদার চোর চক্র জড়িত থাকতে পারে। আশেপাশের অন্যান্য সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী তদন্তকারীরা।
এই ঘটনায় এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ী মহলও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, বিশেষ আরামবাগের পারুল এলাকায় একটি ফ্লিপকার্ট অফিসে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, গভীর রাতে দুষ্কৃতীরা অফিসের দেওয়াল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে গোটা অফিস তছনছ চালায়। এরপর নগদ প্রায় লক্ষাধিক টাকা লুট করে পালিয়ে যায় তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালে কর্মীরা অফিসে এসে দেখেন দেওয়ালের একটি অংশ কাটা, অফিসের জিনিসপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে এবং নগদ টাকা উধাও। শুধু তাই নয়, ঘটনার কোনও প্রমাণ যাতে না থাকে, সেই উদ্দেশ্যে অফিসে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরার হার্ডডিস্কও খুলে নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। গোটা এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখার পাশাপাশি আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, পরিকল্পনা করেই এই চুরির ঘটনা ঘটানো হয়েছে এবং এর সঙ্গে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে।
এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, এলাকায় রাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
চুরির প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং ঘটনার নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
