রাতের খাবার তখন প্রায় শেষের পথে। সারাদিনের ব্যস্ততা কাটিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিশ্চিন্তে নৈশভোজ সারছিলেন গোঘাটের নবাসন গ্রামের জগবন্ধু মুখার্জী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। আচমকাই বিকট শব্দে কেঁপে উঠল গোটা বাড়ি। ঘড়িতে তখন রাত প্রায় ১০টা ২০ মিনিট। পরিবারের দাবি, আচমকাই বাড়ির ছাদের উপর বজ্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে নৈশভোজের টেবিল ছেড়ে আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে দেন পরিবারের সদস্যরা।
বজ্রপাতের তীব্র অভিঘাতে বাড়ির কার্নিশে ফাটল ধরেছে বলে দাবি পরিবারের। কয়েক মুহূর্ত আগেও যেখানে বসে স্বাভাবিকভাবে রাতের খাবার চলছিল, আচমকা সেই জায়গাই পরিণত হয় আতঙ্কের কেন্দ্রে। যদিও ঘটনায় কোনও প্রাণহানি বা বড়সড় ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই, তবুও অল্পের জন্য বড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে বলেই মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কে রয়েছে মুখার্জী পরিবার। আকাশে মেঘ জমলেই ফিরে আসছে সেই রাতের বিকট শব্দের স্মৃতি। বসতবাড়ির ছাদে সরাসরি বজ্রপাতের ঘটনায় নবাসন এলাকাতেও তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। স্থানীয়দের বক্তব্য, বর্ষাকালে বজ্রপাতের ঘটনা নতুন নয়। তবে এভাবে বসতবাড়িতে বজ্রাঘাত যথেষ্ট আতঙ্কের। কয়েক সেকেন্ডের সেই ঘটনায় নৈশভোজের স্বাভাবিক মুহূর্ত যে ভয়াবহ আতঙ্কে পরিণত হতে পারে, তারই সাক্ষী রইল নবাসনের মুখার্জী পরিবার।

