• Wed. Oct 14th, 2026

আড়াইশো বছরের ঐতিহ্য! হাওড়ার বালির বিখ্যাত ‘বুড়িমা’ দূর্গোৎসব ও তার অনন্য আচার

হাওড়ার বালির চৈতলপাড়ার দূর্গোৎসব মানেই এক সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধন। প্রায় আড়াইশো বছর আগে সংস্কৃত শিক্ষার পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলে শুরু হওয়া পুজো আজ সর্বজনীন ‘বুড়িমা’ নামে পরিচিত। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এর জাঁকজমক বাড়লেও প্রাচীন রীতি ও নিয়মকানুন আজও নিখুঁতভাবে বজায় রাখা হয়েছে।

আজ থেকে প্রায় আড়াইশো বছর আগে বালির চৈতলপাড়ায় সংস্কৃত পণ্ডিত রামগোবিন্দ ভট্টাচার্য মাটির আটচালায় ছাত্রদের শিক্ষা দিতেন। সেই আটচালাতেই প্রথম দূর্গাপুজো শুরু করেছিলেন তিনি। প্রাচীনত্বের কারণেই এখানকার দেবী দূর্গা কালক্রমে ‘বুড়িমা’ নামে খ্যাতি লাভ করেন। বর্তমানে সেই আটচালার জায়গায় পাকাপোক্ত মন্দির গড়ে উঠেছে।বুড়িমার বাহন হলো একটি ঐতিহ্যবাহী সাদা রঙের ঘোড়ামুখ সিংহ। গত একশো বছরেরও বেশি সময় ধরে একই বংশের শিল্পী পরিবার এই প্রতিমা তৈরি করে আসছে।

চারদিনের দূর্গোৎসব হলেও বালির বুড়িমার মূল অনুষ্ঠান চলে মোট ন’দিন ধরে। সপ্তমী তিথিতে এখানে বিশেষ জাঁকজমকের সঙ্গে কুমারী পুজো অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া মহাষ্টমীর ‘কাম্যপুজো’ অত্যন্ত জনপ্রিয়। বিশ্বাস করা হয়, এখানে মনস্কামনা জানালে দেবী তা পূরণ করেন। এই দিন ভক্তরা দেবীকে সোনা-রুপোর অলঙ্কার ও কাপড় নিবেদন করেন। মানত হিসেবে নানা ধর্মীয় আচার পালন করেন।দশমীর সকালে বুড়িমাঁকে বিদায় জানানোর প্রথা বেশ মনোগ্রাহী। ঘরের মেয়ে উমাকে কৈলাসে পাঠানোর আগে নিবেদন করা হয় ইলিশ ও পান্তাভাত। এরপর মহিলারা সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন। সবশেষে দুটি নৌকো জুড়ে তার ওপর প্রতিমা রেখে মাঝগঙ্গায় নিয়ে গিয়ে অত্যন্ত শ্রদ্ধার স

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

হোম পেজ
এক নজরে
দেশ
খেলা
বিনোদন