গত দুই ধরে ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের উপকূলীয় এলাকায় যে ভাবে বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস অর্নব সাইক্লোন তান্ডব চালিয়েছে তার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উড়িষ্যার বিভিন্ন এলাকা।এই প্রবল ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ফলে উড়িষ্যার উপকূলীয় গোপালপুর, পারা দ্বীপ বন্দর বিশাখাপত্তনাম এবং পশ্চিম বাংলার দীঘার সমুদ্র বন্দর এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।বড় বড় বল্ডার টপকে বিশাল বিশাল জলরাশি আছড়ে পড়ছে সমুদ্রের কাছাকাছি এলাকায়।প্রবল ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস অর্নব সাইক্লোন তান্ডবে নতুনভাবে যাতে পশ্চিম বাংলায় ক্ষয়ক্ষতি না হয় তার জন্য আগে থেকেই আগাম সতর্কতা বার্তা জারি করেছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার সুন্দর জেলা পুলিশ। এদিন সুন্দর বন জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করে প্রচার করা হচ্ছে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা প্রশাসক শ্রী অশোক তেওয়ারি আই এ এস এবং ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ সুপার শ্রী চন্দ্রশেখর বর্মন আই পি এস এবং সুন্দর বন জেলা পুলিশ সুপার এবং বারুইপুর জেলা পুলিশ সুপারের পক্ষ ইতিমধ্যেই নদী বন্দর এলাকায় মাইকিং প্রচার শুরু করেছে। সেই সঙ্গে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে নিষিদ্ধ ও যাওয়া থেকে নিষেধ করা হয়েছে। প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় অধীনে সমস্ত বাহিনীর সদস্যদের। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সবধরনের সহযোগিতা কামনা করবেন বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা। এবং পশ্চিম বাংলার নবান্ন থেকে অর্নব সাইক্লোন ও ঘূর্ণিঝড়ের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করার জন্য বলা হয়েছে। পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অর্নব সাইক্লোন ও ঘূর্ণিঝড় নিয়ে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানা গেছে।দীঘা ও দুই মেদিনীপুর জেলা এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা এবং উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা, নদিয়া এবং ঝাড়গ্রাম এবং কলকাতা হাওড়া এবং হুগলি জেলার প্রবল ঘূর্ণিঝড় ও ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর দিল্লীর মৌসুম ভবন থেকে। ইতিমধ্যেই নদী বন্দর এলাকায় বাঁধ ভাঙণ রুখতে সবধরনের সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন।এই কাজে সাধারণ মানুষের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন।।

