বাঁকুড়া জেলার ইন্দাস ব্লকের করিশুন্ডা গ্রামের যুবক ককরোচ সমর্থক সেখ আব্দুল হাফিজ সম্প্রীতি দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচদের আন্দোলনে গিয়েছিল। সেখান থেকে বাড়ি ফিরে এসে স্থানীয় বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো দেখতে গেলে অভিযোগ রাতের বেলায় কিছু দুষ্কৃতী তার বাড়িতে চড়াও হয়। ককরোচ সমর্থক আব্দুলকে মারধর করতে গেলে আব্দুলের বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিক ছেলেকে বাঁচাতে যায়। সেখান থেকে কোন উপায়ে আব্দুল ঘরের ভেতরে ঢুকে গেলেও তার বাবাকে ধরে ফেলে দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ তাকে বেধড়ক মারধর করা হয় প্রথমে ইন্দাস ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পরে বর্ধমান মেডিকেল কলেজে নিয়ে গেলে ১৫ই আগস্ট ককরোচ সমর্থকের বাবার মৃত্যু হয়। ১৬ই আগস্ট ইন্দাস থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মৃত মোহাম্মদ মাফিকের স্ত্রী হাসিনা বেগম। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহল তোলপাড় । তদন্ত চলছে জোরকদমে । ফের একজনকে গ্ৰেপ্তার করেছে ইন্দাস থানার পুলিশ । ধৃতের নাম শ্রীমন্ত কেওড়া। ধৃতকে বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে পাঠানো হয় ইন্দাস থানা পুলিশের পক্ষ থেকে। ককরোচ সমর্থক আব্দুল হাফিজ জানিয়েছেন , সেদিনের তার উপরে হামলার ঘটনায় যে ৫ জন ছিল তার মধ্যে মূল এই ধৃত ব্যক্তি । তার নামেও অভিযোগ ছিল । পুলিশের গ্ৰেপ্তার করেছে ।

