এক আশা কর্মীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়াল বাঁকুড়ার অমরকানন গ্রামীণ হাসপাতালে। কাজের চাপে ওই আশা কর্মীর মৃত্যু হয়েছে এই দাবি করে অমরকানন গ্রামীণ হাসপাতালে মৃতদেহ আটকে রেখে তুমুল বিক্ষোভে ফেটে পড়েন আশাকর্মীরা। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী ধাক্কাধাক্কি করে বিক্ষোভরত আশাকর্মীদের সরিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে।
এলাকার মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখার পাশাপাশি সম্প্রতি আয়ুস্মান যোজনার ই কে ওয়াই সি র দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আশা কর্মীদের। অভিযোগ অতিরিক্ত কাজের চাপে আজ সকালে স্থানীয় গোপীনাথপুর এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত আশা কর্মী রূম্পা মন্ডল বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। দ্রুত তাঁকে অমরকানন গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর জানাজানি হতেই অবিলম্বে আশা কর্মীদের আয়ুস্মান যোজনার কাজ থেকে মুক্তি দেওয়ার দাবিতে মৃতদেহ আটকে রেখে প্রবল বিক্ষোভ শুরু করেন এলাকার কয়েকশো আশা কর্মী। মৃতদেহ বাহী গাড়ি আটকে শুরু হয় বিক্ষোভ। পরে গঙ্গাজলঘাটি থানা থেকে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে শববাহী গাড়ি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারী আশাকর্মীদের সঙ্গে কার্যত ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের জোর করে সরিয়ে শববাহী গাড়িটিকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যায়। এরপরেও আশাকর্মীদের বিক্ষোভ থামেনি। ঘটনার বিচার না পাওয়া পর্যন্ত কাজ না করার দাবি তুলে বিএমওএইচ এর দফতরে বিক্ষোভ শুরু করেন আশা কর্মীরা। খবর পেয়ে বিক্ষোভস্থলে ছুটে যান বাঁকুড়ার জেলা শাসক, মহকুমা শাসক, মূখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ও বড়জোড়ার বিধায়ক।

