ঐতিহ্য ও ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে আরামবাগ শহরের মহাবীর মন্দিরে মহাসমারোহে সম্পন্ন হল বার্ষিক ঐতিহ্যবাহী অস্ত্র পুজো। বজরং দলের উদ্যোগে আয়োজিত এই পুজোকে ঘিরে সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। আয়োজকদের দাবি, ১৯৮০ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে এই অস্ত্র পুজোর ঐতিহ্য চলে আসছে।
ধর্মীয় বিশ্বাস ও দীর্ঘদিনের প্রথাকে সামনে রেখেই প্রতিবছর এই বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। সনাতনী ধর্ম ও সংস্কৃতির ঐতিহ্য রক্ষা এবং সমাজের সুরক্ষার বার্তা দিতেই এই উদ্যোগ বলে জানান আয়োজকরা। পুজো উপলক্ষে মহাবীর মন্দিরে বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন অস্ত্র নিয়ে বিশেষ পূজার্চনার আয়োজন করা হয়। ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে সম্পন্ন হয় পুজোর যাবতীয় আচার-অনুষ্ঠান।
দীর্ঘদিনের এই ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে এদিন মন্দির চত্বরে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ধর্মীয় আবহে সম্পন্ন হওয়া এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ দেখা যায়।
এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বজিৎ ঘোষ, সঞ্জীব হেলা, সায়ন চক্রবর্তী-সহ বজরং দলের অন্যান্য কর্মী এবং সনাতনী সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। তাঁদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।
আয়োজকদের মতে, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে চলে আসা এই অস্ত্র পুজো শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং সনাতনী সমাজের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরম্পরার সঙ্গে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন।

